চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশে মানবাধিকার বলতে কিছুই নেই। জনগণের ভোটকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। ভোট কী জিনিস তা ভুলে গেছে জনগণ।
তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র আজ শেখ হাসিনার শিকলে বন্দি। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারে না, দিনের ভোট রাতে হয়। প্রতিবাদ করলে মামলা খেতে হবে, জেলে যেতে হবে, নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হতে হবে। তাই দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে হবে। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।
শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার কর্মিসভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগরীর নুর মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়নবিষয়ক সহ-সম্পাদক ও ফ্রন্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অপর্ণা রায় দাস।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, আমাদের একটাই পরিচয়, আমরা বাংলাদেশি। এ দেশে মুসলমানের যেমন অধিকার আছে, ঠিক তেমনিভাবে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। এ বাংলাদেশ আমার আপনার আমাদের সবার।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে চরম অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ফ্রন্টসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এ স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটাতে হবে। একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অন্যদিকে সসরকার দমন-পীড়ন করছে।
বিএনপির এ নেতা বলেন, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ এ সরকারকে বিদায় দিতে হবে।
সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক রাজীব ধর তমালের সভাপতিত্বে ও বিপ্লব চৌধুরী বিল্লুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুণ দে, উদয় কুসুম বড়ুয়া, নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন চৌধুরীর লিটন, সদস্য মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, অধ্যাপক ঝন্টু বড়ুয়া, বাবু রঞ্জিত বড়ুয়া, নগর মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, সুভাষ চন্দ্র দাস, মিল্টন বৈদ্য, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সীমান্ত দাস, বাবু পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, অপু, অজয় সেন, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ইউসুফ শিকদার, অপু সিংহ, দীপা দাস, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, সুকান্ত তালুকদার, জুয়েল, বাপ্পি দে, রুবেল দাস, প্রান্ত বসাক, সাজু দাস,সুকান্ত মজুমদার, সজীব দত্ত, মিঠুন দাস, মংগ্নু মারমা, বাপ্পি কান্তি দাস, জিকু দে, লিটন কান্তি দাস, রিগেন নন্দী প্রমুখ।












