পঞ্চগড় প্রতিনিধি
ছবিঃ প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তার স্ত্রী মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) কাজী মৌসুমী এবং জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৯ জুন) পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহবুব আলী মুয়াদ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ সময় শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অংশ নেন।
সরকার কর্তৃক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও গোপনে সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২০২৫ সালের ২৬ জুন ৪৭ জনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত ১১০-১২০ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়া।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১২ মে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহের সব ধরনের দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপরও ২৬ জুন সাবেক সংসদ সদস্য নাইমুজ্জামান ভুঁইয়া মুক্তার ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়ার খামারবাড়িতে দলীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করেন। সেখানে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী মৌসুমীর নেতৃত্বে প্রায় ১১০-১২০ জন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকার উৎখাত, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
এমনকি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি ভিডিও ধারণ করে ‘আওয়ামী লীগ নিউজ বিডি’ নামক একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেইজে প্রচার করা হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।
তবে অভিযোগের কোনো প্রমান না থাকার পরও আসামিকে জামিন দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ আসামি পক্ষের আইনজীবীর।
তবে আদালত ন্যায় বিচার করেছেন বলে দাবি করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল।













