বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে পারবে কিন্তু পল্টনে সমাবেশ করে ক্ষমতায় যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
এসময় বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনে যাওয়ার আহবান জানান মায়া।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘বিএনপি ও জামাত-শিবিরের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটির আয়োজন করে সম্মিলিত আওয়ামী সমর্থক জোট।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে মায়া বলেন, ভাল হয়ে যান, ভাল হতে পয়সা লাগেনা। ভাল কাজ করতে গুন্ডামি করা লাগে না। চলেন সবাই মিলে একসঙ্গে ২০২৪ সালের নির্বাচনটা করি। আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব এই শ্লোগানের ভিত্তিতে আপনারা (বিএনপি) এবং আমরা মিলে নির্বাচনটা করি। আর নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় যেতে পারবেন অন্যথায় পল্টনে সমাবেশ করে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না।
মায়া আরো বলেন, বিএনপি শেষ পর্যন্ত নাকে খড় দিয়ে গোলাপবাগ গরুর হাটে সমাবেশ করেছে। বিএনপির নেতারা বলেছিল তারা ১০ তারিখ পল্টনেই সমাবেশ করবে। এক ইঞ্চিও সরবে না। তারা নাকি আপোষহীন নেতা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গেল কই; সেই গোলাপবাগের গরুর হাটের মাঠে৷ তাদের নেতা আমানউল্লাহ আমান গোলাবিহীন কামানের কথায় মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে গেছিল। না যানি কি করে ফেলবে! বিএনপির সমাবেশে কেউ কয় দশ লক্ষ, কেউ কয় ২৫ লক্ষ, কেউ বলে ঢাকায় এক ইঞ্চি যায়গাও খালি থাকবে না। মাত্র ১৫-২০ হাজার লোক নিয়ে বিএনপি সেখানে তামাশা করে চলে গেছে।
বিএনপি কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সরকারকে পিছনে ফেলার চেষ্টা করছে বলে মনে করেন মায়া। তিনি বলেন, একটা স্থিতিশীল সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য যারা পায়তারা করে ষড়যন্ত্র করতে তারা (বিএনপি) কিন্তু আবার মাঠে নেমেছে। তারা একের পর এক কর্মসূচি দেয়। কর্মসূচির নামে তারা সরকারকে পিছিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। ১০ তারিখ তারা দেশকে উল্টিয়ে ফেলবে বলেছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষ রাজপথে থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
সম্মিলিত আওয়ামী সমর্থক জোটের আহবায়ক নিয়াজ মুহাম্মদ খান সভাটির সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এড. মো কামরুল ইসলাম। এসময় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ এবং জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।












