সদ্য ঘোষিত যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে সীমাহীন দুর্নীতি, পদবাণিজ্য, নিষ্ক্রিয় অযোগ্যদের পদায়ন এবং ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন ও বঞ্চিত করার প্রতিবাদে আবারও বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত নেতারা। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশে তারা এ বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভে যুবদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়। আজ যুবদলের কমিটি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে ছিল দুপক্ষ। আর এ জন্য পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
বিক্ষোভে কমিটির বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতি তুলে ধরে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পদপ্রাপ্ত এবং নিষ্ক্রিয়দের পদ বাতিল করে ত্যাগী ও সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মীদের মূল কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিতরা নিয়মিত বিক্ষোভ মিছিল করে আসছেন। কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, তারা ছাত্র জীবন থেকে এখন পর্যন্ত দলের ঘোষিত সব কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পালন করে আসছেন। যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না দলের এমন দুঃসময়ে দলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে যারা টাকা এবং অন্যান্য অনৈতিক সুবিধা দিয়েছেন, বাসার বাজার করে দিয়েছেন কিংবা তাদের দোকানের কর্মচারী, তাদের পদ দিয়েছেন। দলের দুঃসময়ে যেখানে ত্যাগী, সাহসী ও যোগ্য কর্মীদের পদায়ন করা প্রয়োজন, সেখানে ইচ্ছাকৃতভাবেই দলটিকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে বলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন পদবঞ্চিতরা।
তাদের অভিযোগ, যুবদলের সহসভাপতি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ভাতিজা মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু ফরিদপুরে ‘মুজিব শতবর্ষে’র সব অনুষ্ঠানে স্পন্সর করেছেন এবং প্রধান অতিথি হিসেব অংশগ্রহণ করেছেন বলে রেকর্ড রয়েছে। তার মতো আরও অনেকের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।












