জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় অপরিণামদর্শী মেগাপ্রকল্প, দুর্নীতি, অপচয় ও অর্থপাচারে লোভী কার্যক্রম (রেন্ট সিকিং) এবং সরকারের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিহীন দীর্ঘস্থায়ী ক্ষমতা আজকের এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। ফলে দেশকে ঋণের জালে আবদ্ধ করেও সংকটের সমাধান করতে পারছে না সরকার।
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভসহ ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট ও সমস্যার গভীরতার পরিপ্রেক্ষিতে ‘অংশগ্রহণমূলক কৌশল’ প্রণয়নে অংশিজনসহ বৃহত্তর মতৈক্য স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন জেএসডি সভাপতি।
রব বলেন, দ্রুতহারে বাংলাদেশের রিজার্ভ কমে যাওয়া বড়ই উদ্বেগের বিষয়। আমদানি নিয়ন্ত্রণ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে বা বাংলাদেশ ব্যাংক দিয়ে বা জোড়াতালি দিয়ে এ সংকটের সমাধান হবে না। শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, গোটা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করেই এ সংকটের সমাধান খুঁজতে হবে। এ ধরনের জাতীয় সংকট জাতীয়ভাবে মোকাবিলার উদ্যোগ নিতে হবে।
বৈদেশিক ঋণ বাংলাদেশের আর্থিক বাস্তবতা মোকাবিলা করার জন্য যথোপযুক্ত নয়। এর জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে হবে জানিয়ে রব বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল), বিশ্বব্যাংক এমনভাবে বিধি-বিধান তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যাতে সংকটাপন্ন দেশগুলোর দুর্বলতা এবং ব্যর্থতা সুযোগে তারা নিজস্ব মনোভাব ও চিন্তাধারা বিশেষ করে অর্থনীতি ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দিতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল, প্রযুক্তিবিদ, অর্থনীতিবিদ, কৃষিবিদ, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি, শিল্প কল-কারখানার প্রতিনিধি, ব্যাংকার সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শ্রমজীবী-কর্মজীবী-পেশাজীবীদের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ‘অংশীদারত্বের উন্নয়ন মডেল’ প্রবর্তন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সার্বিক












