নিউজ ডেস্ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অভিযোগ করে বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া হিংস্রতা ও বর্বরতার শিকার।
বুধবার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স বিল্ডিংয়ে সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসার মেডিক্যাল বোর্ড বলে দিয়েছে যে দেশে আর তার চিকিৎসা সম্ভব নয়। অথচ সরকার প্রহর গুনছে কখন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো মামলার সাজা দেয়া যাবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এমন কিছু কিছু কাজ রাষ্ট্র করছে যা এখতিয়ার বহির্ভূত। যেমন রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল গতকালও স্পেশাল আদালতে হাজির হন।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি এবং এখনো বলছি যে রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেলের এখতিয়ার নেই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংক্রান্ত মামলায় যাওয়ার বা থাকার। দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা, তাদের নিজস্ব আইনজীবী আছে।’
কায়সার কামাল বলেন, ‘২০১৮ সালে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মরহুম মাহবুবে আলম নিজের স্বাক্ষরে আবেদন করেছিলেন বিদেশী স্বাক্ষীদের এ দেশে এনে সাক্ষ্যগ্রহণ করার জন্য। যা এখতিয়ার বিহীন। দুদকের কোনো আবেদন ছিল না, অ্যাটর্নি জেনারেলের আবেদন ছিল। আমাদের লার্নেট অ্যাটর্নি জেনারেল কয়েকবার গিয়েছেন ২০১৮ সালের ওই ডিফেক্টিভ আবেদন ইফেকটিভ করার জন্য। একটি আবেদন দিয়েছেন এফবিআই কর্মকর্তা ও কানাডার পুলিশ কর্মকর্তাকে আনবেন। এই যে কার্যক্রমগুলো হচ্ছে তা আইন বহির্ভূত। ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডে কোথাও নেই।’
ব্রিফিংয়ে সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, অ্যাডভোকেট কে আর খান পাঠান, অ্যাডভোকেট মো: মাকসুদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সুজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।












