• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সেই মাজার থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু

প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:৩০
আপডেট: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:৩০

96333985

সেই মাজার থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করছেন (বামে)। ইনসেটে (উপরে) তিন নেতার মাজারে জিয়ারত করছেন এনসিপির নেতারা এবং নিচে ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের বিএনপি প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১১৩টি মাজার ভাঙা হয়েছে। কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানোও হয়েছে। মাজার ভাঙার ঘটনায় শুধু ধর্মীয় অঙ্গন নয়, রাজনীতির ভেতরেও নীরব কিন্তু গভীর প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। প্রকাশ্যে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি না হলেও মাঠপর্যায়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ, ভয় এবং অনিশ্চয়তা জমতে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) একাধিক রাজনৈতিক দল মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে তাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছে। শুধু দলই নয়, কোথাও পীর-আউলিয়ার মাজার, কোথাও জাতীয় বা ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের সমাধিতে ফুল দিয়ে দোয়ার মধ্য দিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। কেউ কেউ আবার পারিবারিক মুরুব্বিদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি নিছক ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বিতর্কিত ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে জনগণের কাছে সুস্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কৌশল। এটি শুধু ভোট চাওয়ার কৌশল নয়, বরং রাষ্ট্র, ধর্ম ও সংস্কৃতির সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থান জানানোরও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্যে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ধর্মীয় উগ্রতার দায় চাপিয়ে বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি মাজার এবং এ-সম্পর্কিত স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট হয়। কোথাও প্রশাসনের নীরবতা, কোথাও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভূমিকা, আবার কোথাও ‘অবৈধ স্থাপনা’ বা ‘কুসংস্কার দূর করার’ যুক্তি সামনে আনা হয়।

গত ১৬ মাসে ১১৩টি মাজার ও এ-সম্পর্কিত স্থাপনায় হামলার ঘটনা ক্রমবর্ধমান মব ভায়োলেন্সের উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে। রাসা সেন্টার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাকামের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার পেছনে ধর্মীয় মতাদর্শগত বিরোধ, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং সংগঠিত মব তৎপরতা কাজ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে মাজার, দরগাহ ও খানকাকে শিরক ও বিদআত আখ্যা দিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

রাসা জানায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে এই সময়ে অন্তত ৬৪টি হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৯ জেলায় ৩৭টি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ২৭টি স্থাপনায় হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। মাকামের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের প্রায় ৯০ শতাংশ ঘটনায় কার্যকর মামলা বা তদন্তের অগ্রগতি নেই।

সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে। সেখানে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালিয়ে কবর থেকে মরদেহ তুলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার পর দেশে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে দেশের বড় রাজনৈতিক দল বা দলীয় নেতাদের প্রকাশ্যে নিন্দা বা প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি। ঘটনার পর থেকে দরবারটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং নুরাল পাগলার পরিবার ও ভক্ত-অনুসারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

গবেষণা বলছে, মব সন্ত্রাসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে ওরস, মেলা ও সুফি সংস্কৃতির অনুষ্ঠানগুলো। এর ফলে দেশের ৩০টির বেশি মাজার পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। শতাধিক স্থানে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ওরস আয়োজন বন্ধ রয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রশাসনিক জবাবদিহি ও আইনি কার্যক্রম দৃশ্যমান দেখা যায়নি।

ওই সময়ে রাজনৈতিক দলগুলো সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। কিন্তু ভোটের রাজনীতিতে মাজারপন্থিদের কদর বাড়ছে দল ও প্রার্থীদের মাঝে। তারা জাতীয় ও স্থানীয় মাজার জিয়ারত করে প্রচার শুরু করছেন। আর ভোট টানতে মাজারপন্থি দল ও অনুসারীদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও দিতে দেখা গেছে।

গত বুধবার রাতে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখান থেকে গিয়ে হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন বিএনপির শীর্ষ এই নেতা। বিএনপির স্থানীয় প্রার্থী ও দলের নেতা-কর্মীরা জিয়ারতের সময় সঙ্গে ছিলেন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন গোপালগঞ্জ ৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি ও বিএনপির সদস্য ছিলেন তিনি।

এ সময় হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছি। প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

এদিকে দুই নেতার মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছে এনসিপি। গতকাল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও প্রার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বরসংলগ্ন তিন নেতার মাজারে যান। এনসিপির নেতারা দুই নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার জিয়ারত করেন। নেতাদের অনুসারী হয়ে রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় এনসিপির পক্ষ থেকে।

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও দলটির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। গতকাল দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সন্তোষে অবস্থিত মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানও মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনি প্রচারে নামেন। তার আসনে অবস্থিত হজরত গরিব উল্ল্যাহ শাহর মাজার জিয়ারত করে প্রচার শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (গতকাল) সকাল থেকে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় গণসংযোগে নামেন।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন। কাট্টলীর মাঈনুদ্দিন শাহ (রহ.)-এর মাজারসহ বিভিন্ন স্থানে জিয়ারত শেষে প্রচারে নামেন এই প্রার্থী।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রার্থীরা মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করছেন বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক ময়দান দখলে রাখতে মাজারবিরোধীদের সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর। শুধু ভোট পেতে নির্বাচনের সময় মাজারপন্থিদের কদর বাড়ে দলের প্রার্থীদের মধ্যে, এমনটিই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা খবরের কাগজকে বলেন, দেশে মাজার ভাঙার ঘটনা নতুন নয়; আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এসব ঘটনা বেশি দৃশ্যমান হওয়ায় তা আলোচনায় এসেছে। তিনি জানান, মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার শুরু করার প্রবণতা বিএনপির ক্ষেত্রে পুরোনো। অতীতে খালেদা জিয়াও সিলেটের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে একাধিকবার প্রচার শুরু করেছিলেন। বর্তমানে অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও একই কৌশল অনুসরণ করছেন।

অধ্যাপক ড. মামুনের মতে, মাজারপন্থি জনগোষ্ঠী সাধারণত শান্ত ও অহিংস হয়। নির্বাচনে তাদের ভোটও তো গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে প্রার্থীরা মাজারে গিয়ে ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শুধু তা-ই নয়, প্রার্থীদের ভেতরেও একধরনের মাজারপ্রীতি রয়েছে। অন্যদিকে মাজারবিরোধী প্রভাবশালী ধর্মীয় গোষ্ঠীর ভোটও বড় দলগুলোর জন্য প্রয়োজন হওয়ায় তাদের সঙ্গে আগেভাগেই সম্পর্ক রাখা হয়। এই দ্বৈত রাজনৈতিক হিসাবের কারণেই বিভিন্ন সময়ে মাজার ভাঙার ঘটনা ঘটলেও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে শক্ত প্রতিবাদ খুব কম দেখা যায়।

ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান আমিনুল হকের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonsharethis sharing button
ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান আমিনুল হকের
ভোটারদের থেকে ভোট চাচ্ছেন আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

যারা ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে ভোট আদায়ের চেষ্টা করছে, তারা মূলত ধর্মের নামে মিথ্যাচার করছে এবং ধর্মপ্রাণ মানুষকে প্রতারিত করছে। ধর্মের অপব্যবহার, তথ্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভোটারদেরকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক।

Stamford Details mid

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মিরপুরের ১২ নম্বর পল্লবী স্টেশনের সামনে থেকে গণসংযোকালে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। কোনো ব্যক্তি বা কোনো নির্বাচনি প্রতীক কাউকে জান্নাত দিতে পারে না। তাই রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের অপব্যবহার থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি সব সময় ধর্মীয় ও ইসলামিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। দলটি কখনো ধর্মকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে না। ‘আমাদের লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তথ্য সংগ্রহ করছে। এটি জালিয়াতি বা জাল ভোটের একটি গভীর ষড়যন্ত্র হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই এমন স্পর্শকাতর তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়।

পল্লবী স্টেশন এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ গণসংযোগ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন। এ সময় আমিনুল হক ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com