জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
বাবা তারেক রহমানের সঙ্গে ছোটবেলার ছবি পোস্ট করে তার গুণের বর্ণনা দিলেন মেয়ে জাইমা রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পেজে জাইমা লেখেন, ‘ছোটবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তারাই হয়ে উঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ। আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব্যক্তি যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি।’
দেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তারেক রহমানের গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম তাকে এখনকার অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেন জাইমা।
তিনি লিখেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তার এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তার মধ্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিই তাকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।’
আবেগঘন এই স্ট্যাটাসের সঙ্গে জাইমা রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দুটি ছবি পোস্ট করেন। এর একটি বাবা তারেক রহমানের কাঁধে তার ছোট বেলার একটি ছবি। অন্যটি দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বাবা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মা ডা. জুবাইদা রহমান ও তার হাস্যোজ্জ্বল সাম্প্রতিক একটি ছবি। দুই ছবির সময়ের ব্যবধান দুই যুগের কম নয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একমাত্র সন্তান জাইমা রহমান। পড়াশোনা আইন নিয়ে। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বাবা-মার সঙ্গে গত ডিসেম্বরে দেশে ফিরেন। সেই থেকে বাবার সঙ্গে প্রায় সব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাকে দেখা গেছে। নির্বাচনের আগে চেয়েছেন নিজের দল বিএনপি ও তার বাবার জন্য ভোট। বিভিন্ন ফোরামে সাবলীল বক্তব্য দিয়ে দৃষ্টি কেড়েছেন সব মহলের। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দেশের মানুষকে মুগ্ধ করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে ক্ষমতায় এখন বিএনপি। দলটির নেতা-কর্মীরা মনে করেন, এই জয়ে জাইমা রহমানের ইতিবাচক ভাবমূর্তিও কাজ করেছে। এদিকে বাবা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর একাধিক কর্মসূচিতে জাইমা রহমানকে তার সঙ্গে দেখা গেছে। বিশেষ করে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এর বাইরেও জাইমা রহমান গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এতিম শিশুদের কাছে ছুটে যান। তিনি এসব শিশুর মাসজুড়ে ইফতার ও সাহরির ব্যবস্থা করেছেন। যা সব মহলেই প্রশংসিত হয়েছে।












