• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ ২:৫৮
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ ২:৫৮

9600025 2

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি এই মামলা থেকে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য চার আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আট আসামিকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মামলার আসামিরা এজলাসে থাকেন। এরপর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার রায় ঘোষণা শুরু করেন।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের সরাসরি মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তখন দেশজুড়ে আলোচিত হয় এই ধর্ষণকাণ্ড, তাই এ মামলার আসামি ধরা থেকে শুরু করে মামলার শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রমের সবশেষ পর্যায়- রায়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবার, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মামলাটি গত বছরের মে মাসে দ্রুত নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com