জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
৬ দফা দাবিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি/ খবরের কাগজ
এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
রবিবার (৭ জুন) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মবিরতি সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় বলে জানিয়েছে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন।
শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবিটি হলো, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক গত ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা।
অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা, ইন্টার্ন ডাক্তারদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা।
এছাড়া বিএমডিসি-২০২৩ অধ্যাদেশের খসড়া আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ আজ চরম বৈষম্য, অবহেলা আর নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত চলমান এই ছাত্র ধর্মঘট ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত ২৯ মে বিকেলে উপজেলা শ্যামলাগাছি এলাকার বাসিন্দা ট্যুরিস্ট পুলিশের কনেস্টবল মামুন হাসান জুয়েল হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান রয়েল গত ৪ জুন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নামে শার্শা থানায় মামলা করেন।












