• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সিলেটে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে আলোচনায় ওরা ৩ জন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:৪২
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:৪২

96320210

সিলেটে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে আলোচনায় ওরা ৩ জন

ওয়েছ খছরু, সিলেট থেকে
সংগৃহীত ছবি
পিতাদের আদরের মণি। বলা হচ্ছে- রক্তের টানের রাজনীতি। পিতার সূত্র ধরেই নেমেছেন রাজনীতিতে। গত সংসদ নির্বাচনে তারা ছিলেন তুমুল আলোচনায়। তাদের ঘিরেও স্বপ্ন দেখেন এলাকার মানুষ। এখন সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে তাদের নিয়েই আলোচনা বেশি হচ্ছে। সিলেটের এই তিন ‘রাজকন্যা’ হচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন নেতা কমর উদ্দিনের মেয়ে সাবিনা খান পপি ও সাবেক এমপি মরহুম ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের (লেচু মিয়া) কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন।

সংরক্ষিত আসনে এবার সিলেট থেকে এমপি হতে আলোচনায় রয়েছেন অন্তত ১০ জন। তাদের মধ্যে এই তিনজন উত্তরাধিকার সূত্রে রাজনীতিতে এসেছেন। সেই শৈশব থেকে দেখছেন পিতাদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অবস্থান। তাদের চিন্তায়-ধ্যানে ছিল মানুষের উন্নয়ন। দেশকে এগিয়ে নিতে কীভাবে কাজ করেছেন তারা। ফলে পিতার মৃত্যুর পর তারা এখন নেমেছেন রাজনীতিতে। ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী। কঠিন সময়ে এসেছিলেন। পিতা হারিছ চৌধুরী তখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। লন্ডন থেকে ছুটে এসেছিলেন। নিজের কোলেই মারা যান সিলেটবাসীর অকৃত্রিম বন্ধু হারিছ চৌধুরী। নিজ বাড়িতে এনে তখন হারিছ চৌধুরীকে সমাহিত করার শত চেষ্টা করেও পারেননি। শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর অবশ্য আনা সম্ভব হয়েছে।

পিতার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি আহত করেছে ব্যারিস্টার সামিরা চৌধুরীকে। শেখ হাসিনার শাসনের ১৭ বছর তার পরিবারকে তছনছ করে দিয়েছে। শোককে শক্তিতে পরিণত করে পিতার স্বপ্ন পূরণের পথে হাঁটছেন সামিরা। এই অবস্থায় সংরিক্ষত আসনে সামিরাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। স্থানীরা জানিয়েছেন- সিলেট-৫ আসনে এবার এমপি বিরোধী জোটের। এলাকার উন্নয়ন যেভাবে হওয়ার কথা সেভাবে নাও হতে পারে। এজন্য এ আসন থেকে কেউ সংরক্ষিত আসনে এমপি হলে এলাকার উন্নয়ন হবে বেশি। যুক্তরাজ্য বিএনপি’র দীর্ঘ দিনের সভাপতি ছিলেন কমর উদ্দিন। সুখে, দুঃখে তিনি থাকতেন জিয়ার পরিবারের পাশেও।

দলের জন্য কমর উদ্দিন ছিলেন নিবেদিত প্রাণ নেতা। পিতার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে বসবাস করতেন মেয়ে সাবিনা খান পপি। লন্ডনের কাউন্সিলর তিনি। ওখানকার একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীও। কিন্তু রক্তের সম্পর্কের কারণে দেশের প্রতি তার টান প্রবল। গণ-অভ্যুত্থান সাবিনা খান পপিকে দেশে আসার পথ সহজ করে দেয়। লন্ডনের সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছেন দেশে। গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তখন কয়েকটি শোডাউনও দেন এলাকায়। চষে বেড়ান গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের প্রত্যন্ত অঞ্চল।

এমপি টিকিট না পেলেও মাঠ ছাড়েননি সাবিনা খান। মানবজমিনকে জানালেন- তার পিতা সিলেটের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতেন। পিতার স্বপ্ন পূরণে তিনি দেশের রাজনীতিতে ফিরেছেন। বিগত নির্বাচনের সময় বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে যেতে তিনি তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা নিয়ে মানুষের কাছাকাছি গিয়েছেন। এখন বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার পরও তিনি কাজ করে চলেছেন। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের নারী-শিশুর ভাগ্য উন্নয়নে তিনি কাজ করতে চান। সৈয়দা আবিদা হোসেন। সিলেট-৬ আসনের সাবেক এমপি ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার মেয়ে। এক নামেই আদিবাকে চিনেন সবাই। পিতার মতোই জনগণকে ভালোবাসেন তিনি। গেল নির্বাচনে তিনি তার প্রমাণও দিয়েছেন। যেদিকেই গেছেন মানুষের সাড়া পেয়েছিলেন। মনোনয়ন দৌড়েও আদিবা ছিলেন এগিয়ে।

এখন সংরক্ষিত আসনে আদিবাকে নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বেশি। বর্তমানে বিএনপি’র মিডিয়া সেলের সিনিয়র সদস্য তিনি। পাশাপাশি পিতার ব্যবসা বাণিজ্য দেখভালও করছেন। আদিবা জানালেন- তার আব্বুর সঙ্গে মানুষের সম্পৃক্ততা ছিল বেশি। অনেক কাজ তার বাবা মানুষের জন্য করে গেছেন। এখন তিনিও তাই করতে চান। এজন্য মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করছেন বলে জানান।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com