জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছাড়াই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা হয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এই ৩০টি আসনের মধ্যে সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের একটিও বরাদ্দ পায়নি।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ১১ দলের পক্ষ থেকে এ আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে ১০টি আসনই জামায়াতকে দেওয়া হয়েছে। বাকি নয়টি আসন সমঝোতায় আসা অন্য দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এনসিপিকে কোন আসন দেওয়া হয়নি।
এর আগে সিলেট বিভাগের ১৯টির মধ্যে পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থী দিয়েছিলো এনসিপি। তারা হলেন, সিলেট-১ (সদর-নগর) আসনে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) এহতেশাম হক। সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও নগরের ৬টি ওয়ার্ড) আসনে কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ। সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) আসনে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী প্রকৌশলী মো. রাশেল উল আলম। মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব ও সিলেট অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রীতম দাশ এবং হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও হবিগঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক।
এদের মধ্যে এহতেশাম হকের মনোনয়ন বাছাইকালে বাতিল হয়। বাকীরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে দুয়েকজন মনোনয়ন পাওয়া ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদীও ছিলেন। তবে আসন সমঝোতার কারণে এবার তাদের বঞ্চিতই থাকতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। এতে জামায়াত ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে। এছাড়া এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৭, বিডিপি ২ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে। অন্য তিন দলের আসন ঘোষণা করা হয়নি।












