• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • khoborsheersha@gmail.com
  • +44 (7444) 088415

সরকারের প্রথম ৬ মাস: প্রতিশ্রুতি অনেক, বাস্তবায়ন বড় পরীক্ষা

প্রকাশ: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ৪:০৫
আপডেট: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ৪:০৫

সরকারের প্রথম ৬ মাস: প্রতিশ্রুতি অনেক, বাস্তবায়ন বড় পরীক্ষা

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

ছবি : সংগৃহিত

সোমবার (১৭ আগস্ট) পূর্ণ হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ৬ মাস বা ১৮০ দিন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘোষিত অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের পর্যবেক্ষণও শেষ হচ্ছে এ সময়ে। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক সংস্কার, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি বিবেচনায় সরকারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।

প্রথম ছয় মাসে সরকারের আলোচিত উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্র কৃষকের ঋণ মওকুফ, সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণ, খাল পুনর্খনন, বৃক্ষরোপণ, সরকারি ব্যয়ে সংযম, ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসনে জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ। সরকারের দাবি, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রথম ১৮০ দিন ছিল মূলত পরিকল্পনা, সংস্কার ও প্রস্তুতির সময়। এখন এসব উদ্যোগ কতটা দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিই হবে সরকারের বড় পরীক্ষা।

সরকারের অন্যতম আলোচিত কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড। গত ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ৮৬১ পরিবার এই কার্ড পেয়েছে। পরিবারের প্রধান নারীকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য আগামী চার বছরে এক কোটি ৬০ লাখ প্রান্তিক পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা।

একইভাবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ১০ জেলার ২২ হাজার কৃষককে বিভিন্ন সরকারি সেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের মূল অর্থ ও সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গ্রামীণ অর্থনীতি ও পানি ব্যবস্থাপনায়ও বড় পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ৫৪ জেলায় প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোলের সাহাপাড়া খাল খননের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রায় ২ হাজার খাল পুনর্খনন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

চলমান রয়েছে কয়েক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলকে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের অ্যাগ্রো হাব হিসেবে গড়ে তোলা, পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা ব্যারেজের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮৯ লাখ বৃক্ষরোপণ করেছে বন বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা এই বছর এক ১ কোটি।

সরকারের প্রথম ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের মাঠপর্যায়ে সরাসরি নজরদারিও আলোচনায় এসেছে। রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা, সড়ক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি অংশগ্রহণ প্রশাসনের কাছে জবাবদিহির বার্তা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক জায়গায় মন্ত্রী ও এমপিদের সরাসরি মাঠে গিয়ে সরকারি কাজের পরিদর্শন করতে দেখা গেছে।

গত দুই ঈদ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে জোর দিতে দেখা গেছে যা এখনো চলমান রেখেছে সরকার। এতে বড় ধরনের বাজারসংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে সরকারের দাবি। তবে সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, পরিবহন ব্যয় ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে বাজার পরিস্থিতিই সরকারের কার্যকারিতা যাচাইয়ের অন্যতম প্রধান সূচক হয়ে আছে।

অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফেরাতে ১০টি দেশের সঙ্গে আইনি সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগও রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিগত বাধ্যবাধকতা শিথিল, বিনিয়োগ সম্মেলন এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে, যা সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ পূরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার পাশাপাশি ইউরোপের কয়েকটি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির উদ্যোগ রয়েছে। কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকা চিনিকল, রেশম ও পাটশিল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তিনটি পাটকল চালুর বিষয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ নতুন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ই-হেলথ কার্ড চালু, হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, হামের টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় চালু এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাতীয় পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দও করা হয়েছে। তবে সরকারি হাসপাতালের সেবার মান, চিকিৎসক-নার্স সংকট, ওষুধ সরবরাহ এবং উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

শিক্ষায় ভর্তি ফি, বৃত্তি, কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদ পূরণের পরিকল্পনা, এনটিআরসির মাধ্যমে মেধাভিত্তিক নিয়োগ, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা পুনরুজ্জীবন, মাদ্রাসায় স্মার্ট ক্লাসরুম ও কারিগরি কোর্স চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনায় শিক্ষা খাতেও সরকারকে চাপ সামলাতে হয়েছে। শিক্ষার মান নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে সেই বার্তাই জানিয়ে দিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচারকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে সরকার। মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার ও মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ ও বিচার এর মাধ্যমে সরকার তার প্রমাণ করতে চাচ্ছেন।

চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ বাহিনী গঠনের কথাও বলা হয়েছে। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। নদী দখল ও ঢাকার আশপাশের নদী দূষণ রোধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক সংস্কারে অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি বাধ্যতামূলক করা এবং ডিজিটাল সার্ভের পাইলটিংয়ের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংসদের বিশেষ কমিটির চুলচেরা বিশ্লেষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১১৭টি অধ্যাদেশ অনুমোদন বা পাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (যার মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিত এবং ১৫টি সংশোধনসহ)।

বাকি ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে বা বাতিল করা হয়েছে (এর মধ্যে ৪টি সরাসরি বাতিল এবং ১৬টি অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে পরবর্তী সময় আনার সুপারিশ করা হয়েছে)।

প্রবাসী কল্যাণে প্রবাসী কার্ড, হজযাত্রীদের বিমান ভাড়ার ব্যয় কমানো এবং নুসুক হজ কার্ডের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবকাঠামো ও ডিজিটাল সেবায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালু, বিমানবন্দর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংস্কৃতি খাতেও ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন, দেশজুড়ে নজরুল বর্ষ পালন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি এবং পূর্বাচলে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এটি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছে চীন ও মালয়েশিয়া। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক যা বিএনপি সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশি দূতাবাসগুলোকে বিনিয়োগ, রপ্তানি ও জনশক্তি রপ্তানিতে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ককে পারস্পরিক স্বার্থ, সার্বভৌম সমতা, মর্যাদা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলে আসছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভারত সফর এবং ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠককে এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন, বাণিজ্য ও ভিসা জটিলতা, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারত ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠিন ইস্যুও রয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তে প্রাণহানি, পানিবণ্টন, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু দুই দেশের কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে আছে।

সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এর প্রভাব পড়ে শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহে। সংকট মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি আমদানি, দ্রুত মেরামত, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘ফুয়েল কার্ড’ পাইলট প্রকল্প এবং জাতীয় গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হওয়াও সরকারের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিত করাই এখন বড় পরীক্ষা। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎসংকট দ্রুতই কেটে যাবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ১৮০ দিন সরকারের পরিকল্পনা ভালো হয়েছে। আরও কিছু সময় লাগবে।

সব মিলিয়ে প্রথম ১৮০ দিনকে সরকারের জন্য পরিকল্পনা, পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও ভিত্তি তৈরির সময় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন সামনে ‘অ্যাকশন ফেজ’।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ

 

[interactive_divitional_maps_bd]

সম্পাদক: আব্দুল আজিজ । প্রকাশকঃ সায়েক এম রহমান তালুকদার ।
প্রকাশকঃ রাশেদুর রহমান (রাকেশ) । প্রকাশকঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

রাজশাহী অফিস: রুম-১৪০৫(লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: khoborsheersha@gmail.com, মোবাইল: +44 (7444) 088415