নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবি : প্রতিনিধি
নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের মধ্যেই নতুন করে সয়াবিন তেলের মূল্য লিটার প্রতি ১৪টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাবকে আত্মঘাতী হিসাকে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেছেন, নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ছে। এমন এক সময়ে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে, যখন কি না বাজারে চাল, সবজি, মাছ থেকে শুরু করে বেশিরভাগ্য নিত্যপণ্যের দামই চড়া এবং এর জন্য সীমিত আয়ের মানুষগুলোকে সংসারের খরচ চালাতে চাপে পড়তে হচ্ছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তারা এ মুহূর্তে সোয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না বলে মন্তব্য করে বলেন, বিশ্ববাজারে সয়াবিন তেলের দাম ওঠানামা করলেও বাংলাদেশের বাজারে গত পাঁচ বছরে এই ভোজ্য তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২১ সালে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৩০ টাকা, যা বর্তমানে ২০৪ টাকা। অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ৭৪ টাকা। অথচ বিশ্ববাজারে ২০২৪ সালে সয়াবিন তেলের গড় দাম ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ কমেছিল। সেই দরপতনের সুফল দেশের ভোক্তারা পাচ্ছে না।
নেতৃদ্বয় বলেন, বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করে দেন। কিন্তু বিশ্ববাজারে যখন দাম কমে, তখন এখানে দাম কমানোর কোনো প্রক্রিয়া আমরা দেখা যায় না। বিশ্ববাজারে যখন দাম বাড়বে, তখন যৌক্তিক হারে দেশে দাম বাড়ুক, সমস্যা নেই। কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে তখনও দেশে দাম কমাতে হবে। অন্যথায় ভোক্তাদের সঙ্গে অবিচার করা হবে।
তারা বলেন, সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ফের ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হলে তা হবে জনগণের জন্য কষ্ঠকর। সরকারকে বেকায়দায় ফেলে সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর অপচেষ্টায় যে প্রভাবশালী মহল কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করতে হবে সরকারকেই। যাতে করে সাধারন ক্রেতারা অশুভ সিন্ডিকেটের কাছে পুরোপুরি জিম্মি হয়ে না পড়ে।












