• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা হবে একই প্রশ্নপত্রে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৫১
আপডেট: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৫১

স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা হবে একই প্রশ্নপত্রে শিক্ষামন্ত্রী
 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
মাদ্রাসায় জিপিএ-৫ বেশি পাওয়ার অভিযোগের কারণ অনুসন্ধানে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পর ফলাফল বিশ্লেষণ করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেন বেশি জিপিএ-৫ পায়, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান।

তিনি বলেন, মাদ্রাসায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে। এ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কোনো কারণ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা একই বিষয় ও প্রশ্নের ভিত্তিতে পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাই ভবিষ্যতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে। এরপর ফলাফল পরীক্ষা করে দেখা হবে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেন বেশি জিপিএ-৫ পায়।

পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের পর ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে এবং ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত পরীক্ষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব পরীক্ষক অনিয়ম করেছেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তাঁর জন্য বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি সরকারের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চালুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তখন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সনদ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়োগ দিত। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলো ব্যাপকভাবে সনদ দেওয়া, নিয়োগ ও বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শিক্ষকদের বদলির সমস্যা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কচুয়ার কোনো শিক্ষক রংপুরে, রংপুরের কোনো শিক্ষক বরিশালে এবং বরিশালের কোনো শিক্ষক খাগড়াছড়িতে পদায়ন পেয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিক্ষকদের বদলির প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পেরেছেন তিনি। এ জন্য বদলি কার্যক্রম পরিচালনায় একটি অ্যাপ তৈরির কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তবে বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কচুয়া থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল, মনিপুর স্কুল কিংবা শাহীন স্কুলে বদলি হতে চান অনেকে।

শিক্ষকদের চাপের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের একজন প্রতিনিধি তাঁকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁদের দায়িত্ব স্কুল বা মাদ্রাসায় গিয়ে পাঠদান করা। বদলির বিষয়টি তাঁর দায়িত্ব। তাই এ কাজে তাঁকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম