শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
শুদ্ধ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করায় অর্জিত বিশেষ সম্মাননা রাজশাহী মহানগরবাসীকে উৎসর্গ করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবনের সিটি হলরুমে আয়োজিত ‘অংশীজন সম্মিলন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে রাসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে বিশেষ সম্মাননা হিসেবে পাওয়া ক্রেস্ট ও সনদ উন্মোচন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান রিটন জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার ফলে শুদ্ধ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে এই স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ অর্জন ভবিষ্যতে নাগরিকসেবা আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এ সম্মাননা অর্জিত হয়েছে। এ কাজে সহযোগিতা ও অংশ নেওয়ায় নগরবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাসিক প্রশাসক।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘নগরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ইতোমধ্যে মহিলা কলেজ রোডে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি প্রবীণদের জন্য পার্ক নির্মাণ, খেলার মাঠের উন্নয়ন, ফুটসাল গ্রাউন্ড ও দৃষ্টিনন্দন সিটি গেট নির্মাণ এবং যানজট নিরসনে অটোরিকশায় শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘রাজশাহী মহানগরকে আরও পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, আধুনিক, বাসযোগ্য, নিরাপদ ও শান্তির নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে।’ এ জন্য নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম।
এ ছাড়া কাউন্সিলরদের পক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক, নিবন্ধকের পক্ষে ভেটেরিনারি সার্জন ডা. ফরহাদ হোসেন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সচিব ওবাইদুর রহমান এবং ইপিআই স্টোর কিপার ফিরোজা বেগম রেখা বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে রাসিকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী, টিম লিডার, স্বাস্থ্য সহকারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।













