শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
সরকার মানসম্পন্ন বই দিতে বদ্ধপরিকর মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যদি কোন প্রিন্টার্স খারাপ বই দেয় কিংবা চাহিদার তুলনায় কম বই দেয় তাহলে আপনারা সেগুলো গ্রহণ করবেন না।
তিনি বলেন, এবার আমরা যেদিন স্কুল-কলেজ-মাদরাসার পরীক্ষা শেষে বন্ধ হবে সেদিন সকল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিবো। মাদরাসা প্রধানদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, কোন প্রিন্টার্স যদি আমাদের স্পেসিফিকেশন যেভাবে দিয়েছি তার বাইরে অর্থ্যাৎ কাগজের গ্রেডিং যদি কম হয়, খারাপ হয়, বাইন্ডিং যদি খারাপ হয়, আপনারা সেই বই গ্রহণ করবেন না এবং যত পরিমাণ বই আপনাকে রিসিভ করার কথা, তার নিচে একটি বইও রিসিভ করবেন না।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর মহখালীস্থ গাউসুল আজমস্থ কমপ্লেক্সে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের অরাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নির্বাহী কমিটির সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের হাতে ভালো মানের বই তুলে দিতে শিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত দিনে দেখা গিয়েছে যে প্রিন্টার্সগুলো সঠিক কাগজে দেয়নি, সময়মত বই দেয়নি। এবার আপনারা প্রতিটি মাদরাসা ও প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন। আমরা প্রিন্টার্সদের ৯০% বিল পরিশোধ করেছি, বাকীটা স্কুল-কলেজ-মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে যেদিনই বই উঠবে, সেই বইগুলো আমরা পর্যালোচনা করবো, তারপরে বাকী টাকা দেবো। কারণ এবার আমরা প্রিন্টার্সদের যেভাবে দরপত্র দিয়েছি, বাজার দর তারা পেয়েছে, ফলে কোনো অবস্থাতেই এর মধ্যে কোনো রকম দুর্নীতি করার সুযোগ নেই। ফাঁকি যেন না নিতে পারে, সেই জন্য আপনাদের সকলের দৃষ্টি থাকার প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি।
জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সঙ্গে জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়া-তারেক রহমান ও নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জমিয়াতুল মোদার্রেছীন গঠন করেছিল মাওলানা আব্দুল মান্নান সাহেব, তিনি নিজে শিক্ষক ছিলেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবের সাথে তিনি কাজ করেছিলেন।












