• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, ক্যাপাসিটি চার্জে কমিটিতে তোলপাড়

প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:১৩
আপডেট: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:১৩

গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, ক্যাপাসিটি চার্জে কমিটিতে তোলপাড়

 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের যৌক্তিকতা এবং গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ নিয়ে ব্যাপক তর্কবিতর্ক হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান এবং এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, আইন অনুযায়ী ২৩ বছরেও জ্বালানির দাম নির্ধারণে গণশুনানি-সংক্রান্ত প্রবিধান তৈরি না হওয়ায় বৈঠকে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা যাচাই এবং ক্যাপাসিটি চার্জের অস্বচ্ছতা দূর করতে ফরেনসিক অডিটের দাবি জানিয়েছেন কমিটির সদস্যরা।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে। অথচ বর্তমানে ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রকৃত উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১৪ হাজার মেগাওয়াট। বিপুল পরিমাণ এই অর্থের অপচয় রোধে এবং প্রকৃত চিত্র উন্মোচনে ফরেনসিক অডিটের জোর দাবি জানানো হয়।

আইনগত ব্যত্যয় তুলে ধরে নাজিবুর রহমান জানান, ২০০৩ সালের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী শুনানির মাধ্যমে জ্বালানির দাম নির্ধারণের প্রবিধান থাকার কথা। কিন্তু গত ২৩ বছরেও তা তৈরি করা হয়নি। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে এলপিজি ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনো গণশুনানি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও মন্ত্রণালয় সদুত্তর দিতে পারেনি।

বাজারে পণ্যের চড়া দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, রান্নার এলপিজি সিলিন্ডার এখন আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হলেও বাজারে সরকারের কোনো নজরদারি নেই। ডিজেলের মজুত মাত্র ৩১ দিন থাকায় কৌশলগত কারণে তা দ্রুত বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলা হয়, ছাদে ৫০ মেগাওয়াটের সোলার প্লান্টে ১৫০ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি। আগামী বৈঠকে এর সুনির্দিষ্ট খতিয়ান চাওয়া হয়েছে। সরকারি গণমাধ্যমে গ্যাস কূপ খনন নিয়ে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রচারের বিষয়েও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। সোলার প্যানেল থেকে গ্রিডে যুক্ত বিদ্যুতের প্রকৃত হিসাব আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com