শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষার বিকাশে সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা ধরে রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিদ্যালয়টিতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি চালুর প্রস্তাব দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় নতুন ভবন নির্মাণ ও শিক্ষক পদায়নে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহীর সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা নতুন একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি, ক্যাম্পাসকে পরিবেশবান্ধব করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকরা আগ্রহ প্রকাশ করলে উচ্চমাধ্যমিক শাখা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের সুনামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের বহু মেধাবী শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে রাজশাহীর মর্যাদা উজ্জ্বল করেছেন। শিক্ষার্থীদের বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ করার পাশাপাশি রাজনৈতিক হানাহানি ও উসকানি থেকে দূরে থেকে একতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে হবে।
বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ভূমিমন্ত্রী। মাঠ উন্নয়নে পৃথক বাজেট প্রণয়নের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশ দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো এবং ভালো খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে সিরোইলসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ দুই থেকে তিন ফুট উঁচু করে পুনর্নির্মাণের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে মাঠের চারপাশে হাঁটার উপযোগী পথ তৈরির কথাও বলেন তিনি।
বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অতীতে অবদান রাখা ব্যক্তিদের কাজের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগে স্থাপিত কোনো ভিত্তিপ্রস্তর বা স্মৃতিফলক ভেঙে ফেলা যাবে না। এ ছাড়া বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সবুজে আচ্ছাদিত করতে প্রধান শিক্ষককে অন্তত ২০০টি গাছ লাগানোর অনুরোধ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ভবন উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে রাজশাহী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ছয়তলা একাডেমিক ভবনটি নির্মাণ করেছে। ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৩১ লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকা। প্রকল্পটির কাজের মেয়াদ ছিল ২১ মাস।













