যুগপৎ আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে পঞ্চগড় বোদা উপজেলার বিএনপি নেতা আবদুর রশিদ আরেফিনকে হত্যা ও সারাদেশে বিরোধী দলসুমূহের গণমিছিলে পুলিশি হামলা, গ্রেপ্তার ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে নিন্দা প্রকাশ করেছে গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক ড.রেজা কিবরিয়া ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুলহক নুর।
এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি-অব্যবস্থানার কারণে আজ দেশের মানুনে জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণে বেড়ে গেছে, মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে দিনাতিপাত করছে, দেশের নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
আজ দেশের সকল বিরোধী দল মত-মতের মানুষ যখন ভাত ও ভোটের দাবিতে রাস্তায় প্রতিবাদ করছে,তখন বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ বাহিনী নির্বাচারে জনগণের বুকে গুলি চালিয়ে জনগণ খুন করছে। সরকার বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা-মামলা করে ভীত-সন্ত্রস্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে চায়। যে কারণে, সারা দেশে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর বর্বর হামলা, হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে,একই সাথে সারাদেশে গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করি।দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করি।
ড.রেজা কিবরিয়া ও নুরুলহক নুর বলেন, ‘পঞ্চগড়ে পুলিশের গুলিতে নিহতের ঘটনাসহ, ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে ৬ ডিসেম্বর থেকে অন্যায় ভাবে নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে তল্লাশীর নামে হয়রানি,গণগ্রেপ্তার,বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের তল্লাশীর বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাই।’
রেজা কিবরিয়া ও নুরুলহক নুর আরও বলেন, গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের র্যালীতে ক্ষমতাসীন সরকারে সন্ত্রাসী বাহিনী ও পুলিশ গণঅধিকার পরিষদের সারাদেশে ১০০ অধিক নেতাকর্মীদের হামলা করে আহত করে। এ সরকারের কাছে কোন দল-মতের মানুষ নিরাপদ নয়। তাই, জনগণের জীবন হরণকারী এ স্বৈরাচারী সরকারের রিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে রাস্তার নামার আহবান জানাই।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে দেশের মানুষকে গণঅধিকার পরিষদের কফিন মিছিলে (বিক্ষোভ সমাবেশ) সামিল হওয়ারও আহবান জানাই।












