• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

১২৪ বছর আগের ব্রিটিশ আইন বাতিল চান পার্বত্যের বাসিন্দারা

প্রকাশ: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ৮:১০
আপডেট: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ৮:১০

9666333

১২৪ বছর আগের ব্রিটিশ আইন বাতিল চান পার্বত্যের বাসিন্দারা

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামকে খ্রিস্টান অধ্যুষিত রাষ্ট্রে পরিণত করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। তার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো বর্তমান সময়ে কিছু উপজাতির নেতার পার্বত্য শাসনবিধি-১৯০০ আইন বহাল রাখার আন্দোলন। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের ও জাতিগোষ্ঠীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের অখণ্ডতা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, নানা বৈষম্যের শিকার হয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালি পরিবারগুলো। সেখানে উপজাতি পরিবারগুলো যেসব রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, তার বিপরীতে বাঙালি পরিবারগুলো তা পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামকে খ্রিস্টান অধ্যুষিত রাষ্ট্রে পরিণত করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। তার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো বর্তমান সময়ে কিছু উপজাতি নেতার পার্বত্য শাসনবিধি-১৯০০ আইন বহাল রাখার আন্দোলন। অথচ এই শাসনবিধি হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ উপজাতি শোষণের হাতিয়ার। পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি মূলত তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের প্রণীত শাসন ও শোষণের প্রহসনের আইন।

‘এই আইনে প্রথাগত নেতাদের কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেদের কুক্ষিগত করেছিল ব্রিটিশরা। এই আইনে রীতি, প্রথা ও পদ্ধতির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১২৪ বছর পর এসে সেই উপনিবেশিক আইন বলবৎ রেখে উপজাতিরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করছে।’

মজিবর রহমান আরও বলেন, পবিত্র সংবিধান দিয়ে বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বসবাসরত সকল জনগণের মৌলিক অধিকার ও মান-মর্যাদাসহ সব ধরনের অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯০০ সালের শাসনবিধির মতো উপনিবেশিক আইন বলবৎ রেখে এ অঞ্চলে বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের শাসন খর্ব করা হয়েছে। এর ফলে এ অঞ্চলে বসবাসরত গর্বিত বাঙালি জনগোষ্ঠীর অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশের সর্বস্তরের গণমানুষের উন্নয়নে ও সময়ের প্রয়োজনে দেশের সংবিধান ১৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। কিন্তু দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২৪ বছরের পুরনো শাসনবিধি বলবৎ রাখা মোটেও যুক্তিসংগত হতে পারে না বলে আমরা মনে করি। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের সব বাসিন্দার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের অখণ্ডতা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০ বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

পাহাড়ি এলাকা অস্থিতিশীল হওয়ার পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেহজবাহ কামাল, গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কামাল হোসেন, তার মেয়ে আইনজীবী সারা হোসেন ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামালকে দায়ী করেন কাজী মো. মজিবর রহমান। বলেন, এই চারজনের জন্য পাহাড় বেসামাল। তারা কখনো পাহাড়ে যাননি। ঢাকায় বসে কথা বলেন। তাদের কারণে পাহাড়ের অবস্থা বেসামাল হয়ে যাচ্ছে।

সন্তু লারমার বিচারের দাবি করে মজিবর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশের অনেক সাংবিধানিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সেখানে সন্তু লারমা তার পদে বহাল আছে। তিনি ৩৬ হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com