আরিফ মাহফুজ , লন্ডন থেকে
বৃটেনের স্থানীয় বিত্তশালীরা একের পর এক নিজ দেশ ত্যাগ করে পাড়ি জমাচ্ছেন ভিন্ন দেশগুলোতে , তারা বৃটেনকে আগের তুলনায় বসবাসের অনুপোযুগী মনে করছেন। এর পেছনে রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক, অতিরিক্ত অভিবাসন সমস্যা ও স্বাস্থা পরিষেবাকে দায়ী করছেন অনেকেই।
সম্প্রতি এ নিয়ে গবেষণা সংস্থা হেনলি প্রাইভেট ওয়েলথ মাইগ্রেশন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে গত ১ বছরে ৯৫০০ কোটিপ কোটি পতি ( মার্কিন ডলারের পরিভাষায় সংজ্ঞায়িত) বৃটেন ছেড়েছেন ও আরো নাগরিক বৃটেন ত্যাগে প্রস্তুত রয়েছেন । এর বেশির ভাগ নাগরিক দুবাই, প্যারিস এবং ফ্লোরিডা , আমস্টারডাম, মোনাকো, জেনেভা, সিডনি এবং সিঙ্গাপুর, সেইসাথে ফ্লোরিডা, অ্যালগারভে, মাল্টার মত দেশকে বসবাসের জন্য বেঁচে নিচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বেশি কোটিপতির আগমনের দেশটি হল সংযুক্ত আরব আমিরাত, তারপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ খবর দিয়েছে দ্যা স্ট্যান্ডার্ড
বিশেষজ্ঞদের মতে , যদি একটি দেশ মাইগ্রেশনের জন্য বিপুল সংখ্যক কোটিপতি হারায়, তবে সম্ভবত সেই দেশের গুরুতর সমস্যার কারণে। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি নেতিবাচক চিহ্নও হতে পারে, কারণ ধনী ব্যক্তিরা প্রায়শই প্রথমে চলে যায়।
অভিবাসী কোটিপতিরা বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস কারণ তারা যখন একটি নতুন দেশে চলে যায় তখন তারা তাদের অর্থ সঙ্গে নিয়ে আসে। উদাহরণস্বরূপ, একজন অভিবাসী যে তাদের সাথে ১০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে আসে সে একটি দেশের সমতুল্য ১০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় তৈরি করে কারণ উভয় লেনদেনই দেশের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার ফরেক্স রাজস্ব উৎপন্ন করে।












