জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, ’ক্ষমতাসীন এই অবৈধ সরকার দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এই সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই, তারা দূর্বল হয়ে পড়েছে। শুধুমাত্র প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ক্ষমতায় টিকে আছে। কিন্তু জনতার জোয়ারে তারা ভেসে যাবে। সেজন্য দরকার এক দফার আন্দোলন। এই আন্দোলনের ডাক যেকোনো সময়ে আসবে, তার জন্য সবাই প্রস্তুতি নিন। সবাইকে আন্দোলনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার গাজীপুর জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের এই কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সভাস্থলে জমায়েতে হতে থাকেন। এক পর্যায়ে তা সমাবেশে রূপ নেয়। এ সময়ে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের শোডাউনে আর বিভিন্ন স্লোগানে পুরো সভাস্থল মুখর হয়ে ওঠে। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হালিম মোল্লা ব্যাপক শোডাউন করেন। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে শুধু পদ-পদবীই মূল বিষয় নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তার একটি ওয়ার্মআপ হচ্ছে আজকের জনাকীর্ণ কর্মীসভা।
এসএম জিলানী বলেন, ‘দেশের অস্তিত্ব রক্ষায়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আগামীতেও তারা সেই ধারা অক্ষুণ্ণ রেখে এক দফার আন্দোলনকে তরান্বিত করতে জীবনের ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত রয়েছেন।’
সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান বলেন, ‘এই সঙ্কটময় মুহূর্তে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে যোগ্যদেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে। কোনো লবিং-তদবির নয়। রাজপথের নেতাদেরকেই মূল্যায়ন করা হবে। যাদের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, গণতন্ত্রের মাতা খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান দেশে ফিরে আসতে পারবেন। লাখ লাখ নেতাকর্মী মামলার খড়গ থেকে মুক্তি পাবেন।’
গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাসিবুর রহমান খান মুন্না সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইয়াছিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।













