শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় ভুয়া ও অ-মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রবেশের কলঙ্ক থেকে মুক্তি মেলেনি স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও। তাই দলীয় বিবেচনা ও আবেগ বাদ দিয়ে এবার দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের নিখুঁত তালিকা’ প্রণয়নের আশ্বাস দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
তিনি জানিয়েছেন, এখন আর নতুন করে কোনো মুক্তিযোদ্ধার আবেদন গ্রহণ করা হবে না। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়া আবেদনগুলো চুলচেরা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।ঘড়ি কিনুন
এর আগে মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়নের কৌশল ও করণীয় নির্ধারণ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
আক্ষেপ প্রকাশ করে আহমেদ আযম খান বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপরই এই তালিকা চূড়ান্ত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ৫৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও এই তালিকার কাজ চলমান থাকা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। অতীতের ভুলত্রুটি ও বিতর্ক এড়াতে বর্তমান সরকার ইতিহাস বিকৃতি বা কোনো ধরনের অসঙ্গতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে চায় না।
এ সময় তিনি বলেন, ‘যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলীয় বিবেচনা বা অন্ধ আবেগের স্থান হবে না; কেবল তথ্য, প্রমাণ ও নিরপেক্ষ তদন্তই হবে একমাত্র মাপকাঠি।’
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ, গবেষক ও বুদ্ধিজীবীরা।












