শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটদান পদ্ধতির অভিজ্ঞতা নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করছে নেপালের নির্বাচন কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর নির্বাচন ভবনের ৩১৪ নম্বর কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সঙ্গে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ভোটিং কার্যক্রম, বিশেষ করে প্রবাসী ভোটারদের ভোটদানের অভিজ্ঞতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ভবিষ্যতে নেপালে পোস্টাল ভোট চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে মতবিনিময় করবেন দুই দেশের নির্বাচন কর্মকর্তারা।
নেপালের প্রতিনিধিদলে দেশটির নির্বাচন কমিশনার ড. জনকী কুমারী তালুকদার ও ড. রাজীব সুব্বা, সচিব কৃষ্ণা প্রসাদ কাপরি, সিনিয়র কম্পিউটার অফিসার অনুপ নৌপানে, ডেপুটি অ্যাটর্নি কমলা কাফলে এবং ইউএনডিপির প্রতিনিধি প্রভাত কুমার রয়েছেন।
ইসি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো দেশের ভেতরে সরকারি চাকরিজীবী, ভোটগ্রহণের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও কারাবন্দি এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের জন্য আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়। এ জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করে ইসি। অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের পর ভোটারের কাছে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো হয়। ভোট দেওয়ার পর ব্যালট ফেরত খামে পোস্ট অফিসে জমা দিলে তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে যায়।ইতিহাস পড়ুন
ইসি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপের মাধ্যমে ১৫ লাখ ২৮ হাজার ১৩১ জন ভোটার নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন, যা নিবন্ধিত ভোটারের ৮০ দশমিক ১১ শতাংশ। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছায় ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯২টি ব্যালট। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটারের ৪ লাখ ৯৮ হাজার ২০৫টি এবং দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ভোটারের ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮৮টি ব্যালট গ্রহণ করা হয়।
গ্রহণ করা পোস্টাল ভোটের মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭টি, যা মোট নিবন্ধিত ভোটারের ৭০ দশমিক ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞতা নেপালের ভবিষ্যৎ পোস্টাল ভোট ব্যবস্থায় কীভাবে কাজে লাগানো যায়, বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।













